+৮৮০ ১৭১১-৪৮০২০২আমরা খোলা আছি: সপ্তাহে ৭ দিন, সকাল ১০টা – সন্ধ্যা ৬টাEnglish
বাংলাদেশ থেকে আমেরিকায় উচ্চশিক্ষা

বাংলাদেশ থেকে আমেরিকায় উচ্চশিক্ষা: খরচ, F-1 স্টুডেন্ট ভিসা ও ইউনিভার্সিটি

বাংলাদেশি স্টুডেন্টদের কাছে আমেরিকা সবচেয়ে পছন্দের দেশগুলোর একটা, বিশেষ করে ইঞ্জিনিয়ারিং, CSE আর বিজনেসের জন্য। এখানে শুধু রেজাল্ট না, টেস্ট স্কোর, এসে আর এক্সট্রা-কারিকুলার সবই দেখা হয়। প্রোফাইল ভালো হলে স্কলারশিপ পেয়ে খরচ অনেকটাই কমানো যায়।

টিউশন ফিবছরে US$২০,০০০–৬০,০০০
লিভিং কস্টবছরে US$১২,০০০–২০,০০০
ইনটেকFall (আগস্ট) · Spring (জানুয়ারি)
পার্ট-টাইম জবসেমিস্টারে ক্যাম্পাসে সপ্তাহে ২০ ঘণ্টা পর্যন্ত

বাংলাদেশি স্টুডেন্টরা কেন আমেরিকা বেছে নেয়

  • হাজারো অ্যাক্রেডিটেড কলেজ আর ইউনিভার্সিটি
  • ফ্লেক্সিবল মেজর: আগে কয়েকটা সাবজেক্ট পড়ে দেখে পরে ঠিক করতে পারবেন
  • স্ট্রং রিসার্চ, দারুণ ক্যাম্পাস লাইফ আর অ্যালামনাই নেটওয়ার্ক
  • পড়া শেষে যোগ্য হলে OPT-তে কাজ করার সুযোগ

আমেরিকায় পড়তে কত খরচ (টাকায়)

স্টেট আর ইউনিভার্সিটিভেদে টিউশন ফি আর লিভিং কস্ট অনেক আলাদা। অনেক ইউনিভার্সিটি ইন্টারন্যাশনাল স্টুডেন্টদের মেরিট স্কলারশিপ দেয়।

খরচের খাতসাধারণ খরচটাকায় আনুমানিক
টিউশন ফি (বছরে)US$২০,০০০–৬০,০০০≈ ৳২৪–৭৩ লাখ
লিভিং কস্ট (বছরে)US$১২,০০০–২০,০০০≈ ৳১৫–২৪ লাখ
যাওয়ার আগেভিসা ফি, SEVIS I-901 ফি, হেলথ ইন্স্যুরেন্স, প্লেন টিকিটলেটেস্ট অফিশিয়াল ফি দেখে নিন

টাকার হিসাবটা আনুমানিক (২০২৬ সালের রেটে ডলার প্রায় ৳১২২, অন্য কারেন্সিও সেই অনুযায়ী), শুধু প্ল্যান করার সুবিধার জন্য। আজকের এক্সচেঞ্জ রেট আর ইউনিভার্সিটির লেটেস্ট ফি অবশ্যই চেক করে নিন।

অ্যাডমিশন রিকোয়ারমেন্ট ও ইংলিশ টেস্ট

সাধারণত HSC বা ব্যাচেলরের রেজাল্ট, ইংলিশ টেস্ট, SOP, রিকমেন্ডেশন লেটার, আর কিছু প্রোগ্রামে SAT/GRE/GMAT লাগে।

বেশিরভাগ ইউনিভার্সিটি IELTS (সাধারণত ৬.৫+), TOEFL বা Duolingo চায়। কিছু ব্যাচেলর প্রোগ্রামে SAT, আর অনেক মাস্টার্স প্রোগ্রামে GRE বা GMAT লাগে।

ইনটেক: মেইন ইনটেক Fall (আগস্ট–সেপ্টেম্বর); অনেক ইউনিভার্সিটিতে Spring (জানুয়ারি) ইনটেকও আছে।

বাংলাদেশি স্টুডেন্টদের ডকুমেন্টস চেকলিস্ট

  • পাসপোর্ট (যতদিন থাকবেন তার পরও অন্তত ৬ মাস মেয়াদ থাকতে হবে)
  • SSC আর HSC-র সার্টিফিকেট ও মার্কশিট (অথবা O/A Level রেজাল্ট)
  • মাস্টার্সে অ্যাপ্লাই করলে ব্যাচেলরের সার্টিফিকেট ও ট্রান্সক্রিপ্ট
  • ইংলিশ টেস্টের রেজাল্ট (IELTS, PTE, TOEFL বা Duolingo), অথবা যেখানে চলে সেখানে MOI লেটার
  • SOP (স্টেটমেন্ট অব পারপাস) আর CV
  • দুইটা রিকমেন্ডেশন লেটার (টিচার বা অফিস থেকে)
  • ব্যাংক সলভেন্সি সার্টিফিকেট আর লাস্ট কয়েক মাসের ব্যাংক স্টেটমেন্ট (নিজের বা স্পন্সরের)
  • স্পন্সরের ইনকামের ডকুমেন্টস, যেমন ট্যাক্স রিটার্ন (TIN), স্যালারি সার্টিফিকেট বা ট্রেড লাইসেন্স
  • জন্ম নিবন্ধন আর পাসপোর্ট সাইজের ছবি
  • দরকার হলে সার্টিফিকেটের অ্যাটেস্টেড কপি (শিক্ষা বোর্ড ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়)

আমেরিকার জন্য আরও যা লাগবে

  • I-20 আর SEVIS ফি-র রিসিট
  • DS-160 কনফার্মেশন পেজ
  • দরকার হলে SAT/GRE/GMAT স্কোর

বাংলাদেশ থেকে আমেরিকার স্টুডেন্ট ভিসা: স্টেপ বাই স্টেপ

F-1 স্টুডেন্ট ভিসা। ইউনিভার্সিটির I-20, ফান্ডের প্রমাণ (ব্যাংক সলভেন্সি) আর ভিসা ইন্টারভিউ লাগবে।

  1. অ্যাডমিশন কনফার্ম করে ইউনিভার্সিটি থেকে I-20 নিন
  2. অনলাইনে SEVIS I-901 ফি দিন
  3. DS-160 ফর্ম পূরণ করে ভিসা ফি পেমেন্ট করুন
  4. ঢাকার আমেরিকান এম্বাসিতে ইন্টারভিউয়ের ডেট নিয়ে যান
  5. I-20, ব্যাংকের ডকুমেন্টস আর একাডেমিক কাগজ দেখান, আর আপনার স্টাডি প্ল্যান ক্লিয়ারলি বলুন

স্কলারশিপ

অনেক ইউনিভার্সিটি অ্যাডমিশনের সময়ই মেরিট স্কলারশিপ দিয়ে দেয়। মাস্টার্স আর পিএইচডিতে রিসার্চ বা টিচিং অ্যাসিস্ট্যান্টশিপ (RA/TA) পেলে টিউশন ফি মাফ আর মাসে স্টাইপেন্ডও পাওয়া যায়। বাংলাদেশি গ্র্যাজুয়েটরা Fulbright-এও অ্যাপ্লাই করতে পারেন।

আমেরিকার কিছু ইউনিভার্সিটি

সব ইউনিভার্সিটি দেখুন

সাধারণ প্রশ্ন ও উত্তর

০১বাংলাদেশ থেকে আমেরিকায় পড়তে কত টাকা লাগে?

টিউশন ফি সাধারণত বছরে US$২০,০০০ থেকে US$৬০,০০০, সাথে লিভিং কস্ট আরও US$১২,০০০–২০,০০০। স্কলারশিপ বা অ্যাসিস্ট্যান্টশিপ পেলে খরচ অনেক কমে যায়।

০২আমেরিকার স্টুডেন্ট ভিসার ইন্টারভিউ কোথায় দিতে হয়?

বাংলাদেশিদের F-1 ভিসা ইন্টারভিউ হয় ঢাকার আমেরিকান এম্বাসিতে। DS-160 পূরণ করে ফি দেওয়ার পর অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিতে হয়।

০৩আমেরিকায় পড়ার সময় কি পার্ট-টাইম জব করা যায়?

F-1 স্টুডেন্টরা সাধারণত সেমিস্টার চলাকালে ক্যাম্পাসে সপ্তাহে ২০ ঘণ্টা পর্যন্ত কাজ করতে পারেন। ক্যাম্পাসের বাইরে কাজ শুধু CPT বা OPT-র মতো অনুমোদিত প্রোগ্রামে।

এই গাইড প্ল্যান করার জন্য সাধারণ তথ্য। ফি, ভিসার নিয়ম আর রিকোয়ারমেন্ট প্রায়ই বদলায় এবং ইউনিভার্সিটিভেদে আলাদা। ফাইনাল তথ্য সবসময় ইউনিভার্সিটি আর এম্বাসি বা অফিশিয়াল সরকারি ওয়েবসাইট থেকে কনফার্ম করুন, অথবা লেটেস্ট আপডেটের জন্য কাউন্সেলরকে জিজ্ঞেস করুন।

অন্য দেশগুলোর সাথে কম্পেয়ার করুন

আমেরিকায় পড়তে রেডি?

ফ্রি প্রোফাইল অ্যাসেসমেন্ট করিয়ে আপনার রেজাল্ট আর বাজেটের সাথে মিলে এমন ইউনিভার্সিটির শর্টলিস্ট নিন।

ফ্রি কনসালটেশন বুক করুন
এক্সপার্টের সাথে কথা বলুনদেশ, খরচ, ভিসা ও স্কলারশিপ নিয়ে জানুন